KYC Verification এর নিয়মে বড় পরিবর্তন! ৩১ মার্চের আগে জমা করতে হবে এই ফর্ম?

KYC Verification: আজকালকার যুগে যে কোনও জায়গায় কেওয়াইসি ভেরিফিকেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে যে কোনও ক্ষেত্রেই কেওয়াইসি ছাড়া এক মুহূর্ত চলে না। এর মধ্যে বেশ কিছু অ্যাপ আমরা ব্যবহার করে থাকি যা ব্যবহার করার জন্য করতে হয় কেওয়াইসি ভেরিফিকেশন।

সম্প্রতি জানা যাচ্ছে বেশ কিছু অ্যাপের পরিষেবা সময় বন্ধ করে দেওয়া হবে কেওয়াইসি আপডেট এবং কেওয়াইসি ভেরিফিকেশন না করলে। একমাত্র কেওয়াইসি ফর্ম পুনরায় জমা দিলেই সেগুলি আবার চালু করা হবে। এজন্য ব্যাংক এবং পোস্ট অফিসের ক্ষেত্রে কেওয়াইসি ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া বা কেওয়াইসি আপডেট করে রাখা, ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

বুধবার ফাইনান্সিয়াল স্টেবিলিটি এন্ড ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের পক্ষ থেকে সারা দেশে কেওয়াইসি প্রক্রিয়া নিয়ে একটি বৈঠকের খবর ইতিমধ্যেই এসেছে প্রকাশ্যে। যেখানে ভাবনা চিন্তা করা হয়েছে বিশেষ কয়েকটা পদক্ষেপের ব্যাপারে।

What is KYC Verification?

অনেকেই কেওয়াইসি করল জানেন না কেওয়াইসি ফুল ফর্ম কী। বিশেষ কোনও পরিষেবার নেওয়ার আগে অবশ্যই কেওয়াইসি যেমন রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক ঠিক তেমনি প্রত্যেকের কেওয়াইসি ফুল ফর্ম জানাটাও আবশ্যক। কেওয়াইসি অর্থ হল নো ইওর কাস্টমার বা নো ইওর ক্লায়েন্ট। অর্থাৎ সহজ ভাবে বলতে গেলে গ্রাহকের বিষয়ে সমস্ত তথ্য জানা। যেমন গ্রাহকের ফটো, সিগনেচার, বায়োমেট্রিক, স্থায়ী ঠিকানা, যোগাযোগের তথ্য, সরকারের বিভিন্ন ডকুমেন্ট, যেমন ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, প্যান কার্ড ইত্যাদি বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ।

ভারতের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার উদ্দেশ্যে এই কেওয়াইসি বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার প্রসঙ্গ হচ্ছে কি বলা হয়েছে সেই প্যানেলে! বিস্তারিত বলতে গেলে কেওয়াইসি আপডেটের স্ট্যাটাস চেক করতে বলা হয়েছে। এতদিনে বিভিন্ন সংস্থা আলাদা আলাদা করে কেওয়াইসি ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ করত।

সমগ্র দেশের নিয়ম অনুযায়ী আপাতত কেওয়াইসি একটি সাধারণ নিয়ম মেনেই হবে এমনটা জানা গিয়েছে। কেওয়াইসি ডিজিটালাইজেশনের জন্য এই সংস্থা ডিজিটাল পদ্ধতিতে যে কোন কাজ করার জন্য শুধুমাত্র একবার কেওয়াইসি করলেই পরের যে কোনও কাজের ক্ষেত্রে সেটা ভ্যালিডেট হবে বলে জানা গিয়েছে। আগের করা কেওয়াইসির নথি দেখিয়ে করা যাবে নতুন যে কোনও কাজ। যার জন্য নতুন করে কোন ঝক্কি পোহাতে আর হবে না।

ফ্রিল্যান্সিয়াস স্টেবিলিটি এন্ড ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল এই বিষয়ে বিন্দুমাত্র আভাস দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কবে থেকে শুরু হতে পারে সেই বিষয়ে কিছু জানায়নি সেই সংস্থা। যদিও অতি শীঘ্রই এই নিয়ম চালু করার কথা রয়েছে। তবে এই নিয়মের জন্য কি আবারও গ্রাহককে দাঁড়াতে হবে লম্বা লাইনে! সেই বিষয়ে কিছুই এখনো স্পষ্ট নয়।