Joint Entrance Exam: প্রত্যেকেরই ছোট থেকে স্বপ্ন থাকে বড় হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর। ছোটবেলা থেকেই বেশিরভাগ সকলেই স্বপ্ন দেখেন ডাক্তার হওয়ার। এখনো পর্যন্ত যেকোনও বাচ্চাকে যদি আদর করে জিজ্ঞাসা করা হয় যে তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও!
আগুপিছু না ভেবে বাচ্চাটি তৎক্ষণাৎ উত্তর দিয়ে দেয় ডাক্তার। সেই ডাক্তার হতেই করতে হয় অনেক সাধ্য সাধনা! মুখে বলা ঠিক যতটা সহজ, সফল ডাক্তার হওয়া ঠিক ততটাই কঠিন। পার হতে হয় একাধিক চড়াই উৎরাই পথ।
ডাক্তার হওয়ার জন্য প্রথম থেকেই বিজ্ঞান বিভাগের (Joint Entrance Exam) দিকে পড়ুয়ার মনোযোগ থাকতে হয় ১০০% এরও বেশি। যেসব পড়ুয়ারা পড়াশোনায় ভালো হওয়া সত্ত্বেও বিজ্ঞান বিভাগের কিছুটা থাকেন পিছিয়ে।
তাদের মাঝপথেই ছাড়তে হয় সেই স্বপ্ন। আবার অনেকে এমন আছেন যারা দীর্ঘ মসৃণ পথ পার করে আসার পরেও কোনওভাবে ছুঁতে পারেন না তাঁদের লক্ষ্য। এই লক্ষ্য ছোঁয়ার জন্য রয়েছে বেশ কিছু টিপস যা মানলে হয়তো খুব সহজেই সাফল্য আসবে হাতের মুঠোয়।
কীভাবে কোনও পড়ুয়া ছুঁতে পারবেন তাঁর লক্ষ্য! সেই টিপসই (Joint Entrance Exam) শেয়ার করে নিলেন রাজ্যের জয়েন্টের প্রথম স্থান অধিকারী, শিলিগুড়ির ইরাদ্রি। ইরাদ্রি শিলিগুড়ির বসু পরিবারের সন্তান।
৯৯.৯৯ শতাংশ নম্বর পেয়ে ইরাদ্রি বসু খান্ড তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সকলকে। পুরো পশ্চিমবঙ্গে তিনি প্রথম স্থানের অধিকারী। পড়াশোনা করেছেন দার্জিলিংয়ের পাবলিক স্কুল থেকে। তার কথা অনুযায়ী দিনে ছয় থেকে আট ঘণ্টা তিনি শুধুমাত্র পড়াশোনা করতেন যদিও মাঝে অবশ্য ব্রেকও নিতেন। পুরো সময়টাই তার কাটত পড়াশোনার মধ্যে দিয়ে। ইরাদ্রি জানিয়েছেন, “কোচিং সেন্টারের দেওয়া সাজেশান তো কাজে লেগেছে। তার পাশাপাশি আমি নিজের পছন্দের কিছু বইও পড়েছি।” এমনকি অবসর সময়ে গেম খেলারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
ভবিষ্যতে যেসব পড়ুয়ারা জয়েন্ট এন্ট্রান্স (Joint Entrance Exam) পরীক্ষায় বসতে চলেছেন তাদের উদ্দেশ্যে তিনি দিয়েছেন বিশেষ বার্তা। ইরাদ্রি বসুর কথা অনুযায়ী, “পড়াশোনার মধ্যে থাকতে হবে। মনসংযোগ হারালে চলবে না। প্রতিদিন চর্চা করতে হবে।”
তার এই অগাধ সাফল্যের পিছনে বাবা মায়ের অবদান ঠিক কতটা সেটাও উল্লেখ করতে বলেননি ইরাদ্রি। তিনি বলেছেন, “মা আমার খাবারের খেয়াল রাখতেন। আমার শরীর ঠিক আছে কি না সব সময় সেই দিকে নজর দিতেন। আর বাবা তো পড়াশোনার খুঁটিনাটি বিষয়ে নজর রাখতেন।”